কোষাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা-এর যোগদান
Jul 28, 2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

কোষাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা-এর যোগদান

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা যোগদান করেছেন। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে সকাল এগারোটায় তিনি যোগদান করেন। অনাড়ম্বর এই অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান সভাপতিত্ব করেন। এর আগে গতকাল (২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব মো. সুলতান আহ্মেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে চার বছরের জন্য তাঁকে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

 

নবনিযুক্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা যোগদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কোষাধ্যক্ষ পদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আমি আন্তরিকভাবে সবকিছু সমুন্নত রেখে এই অফিসের কার্যক্রম যথাসময়ে সম্পাদন করার চেষ্টা করব এবং আর্থিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখব। তিনি সকলের প্রতি ন্যায্যতা ও  আর্থিক ক্ষেত্রে সুষম বন্টনের দৃঢ় ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। 

 

যোগদান অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। 

 

অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা’র জীবনী 

 

অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্ত অধ্যাপক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (IQAC)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে ১৯৮৯ সালে বি. ফার্ম (সম্মান) এবং ১৯৯০ সালে এম. ফার্ম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

 

১৯৯৪ সালের জুন মাসে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০০৭ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৮ সালে জাপান সরকারের মনবুশো (Monbusho) বৃত্তি লাভ করে জাপানের ওকায়ামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যের ইন্টারন্যাশনাল বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার তাঁকে “ইন্টারন্যাশনাল ইয়াং সায়েন্টিস্ট অব দ্য ইয়ার” সম্মানে ভূষিত করে এবং একই বছর তাঁর জীবনী Marquis Who's Who in Asia-এ অন্তর্ভুক্ত হয়।

 

প্রাকৃতিক উৎসভিত্তিক ঔষধ রসায়ন (Natural Products Chemistry) এবং ড্রাগ ডেলিভারি সিস্টেম (Drug Delivery Systems) তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। এ পর্যন্ত তিনি দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য সাময়িকীতে ২৩৮টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন, যা ৬,২০০-এরও বেশি বার উদ্ধৃত হয়েছে। তাঁর তত্ত্বাবধানে ২১ জন পিএইচডি, ৩ জন এমফিল এবং ১৩৫ জনেরও বেশি এম. ফার্ম গবেষক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকীর সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

পেশাগত জীবনে তিনি ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, আবসিক হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

 

ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন

পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)

Recent Press Releases